মানবজীবনে সংগীত কী ধরনের ভূমিকা রাখতে সক্ষম?
সংগীত বলতে চিত্ত বিনোদনে সমর্থ্য স্বরসমূহের বিন্যাসের মাধ্যমে বিচিত্র ও মধুর রচনাকে বোঝায়। স্বর ও তালবদ্ধ মনোরঞ্জক রচনাকে সংগীত বলে।
সংগীত ও মানবজীবন পরস্পরের সাথে সম্পৃক্ত। মানুষের ভিতরের প্রবৃত্তির ওপর সংগীতের প্রভাব অপরিসীম। সংগীত অনুশীলনের দ্বারা মানুষের মনের সুপ্ত ভাব জাগ্রত হয়। আবার সংগীত দ্বারাই মানুষের অনুভূতি পরিমার্জিত হয়। কুটিলতা, হিংসা, দ্বেষ, পরশ্রীকাতরতার পাশাপাশি মনের হীন ভাবগুলো সংগীতের প্রভাবে দূর হয়; তার বদলে উদারতা মানুষের মনকে করে তোলে মহৎ। সংগীতের মাধ্যমে মানুষের কল্পনা শক্তির উন্মেষ ঘটে এবং সৃষ্টিশীলতার বিকাশ হয়। মনের সুকোমল ও সুকুমার বৃত্তিগুলোর ওপর সংগীতের প্রভাব জীবনকে করে তোলে মধুময়, জীবনে বয়ে আনে সম্পূর্ণতা।
সংগীত মানবজীবনের হাসি, কান্না, আনন্দ, বেদনা, সুখ-দুঃখে সান্ত্বনার প্রলেপ। সংগীত সমাজের সকল স্তরে পরিব্যাপ্ত। জীবনের উৎসবে সংগীত নিত্যসঙ্গী। আবেগ প্রকাশের মাধ্যম সংগীত। মানবজীবনের সামগ্রিক বিকাশের ক্ষেত্রে সংগীতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংগীত মানবজীবনকে পরিশীলিত করে। এক অকৃত্রিম চেতনা জাগ্রত করে।
মানবজীবনে সংগীতের প্রভাব তাই মহামিলনের এক মহামন্ত্র।
প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক,
নবরব শিল্পীগোষ্ঠী

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন